বিস্ময়কর ক্ষমতা মেথির আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য গুনাগুণ এবং উপকারিতা!

বিস্ময়কর ক্ষমতা মেথির আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য গুনাগুণ এবং উপকারিতা!


মেথি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। মেথি শুধুমাত্র শরীরের জন্যই নয়, ত্বক ও চুলের যত্নেও অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান।

আপনি কি জানেন, রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখা থেকে শুরু করে রক্তচাপ ও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, চুল পড়া রোধ, রক্তস্বল্পতার সমস্যায় মেথিকে 'সুপার ফুড' হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

মেথিতে ফলিক অ্যাসিড, রিবোফ্লাভিন, কপার, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ সহ অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে।

এছাড়াও এটি ভিটামিন A, B6, C, K এর মতো অনেক পুষ্টির উৎস। বেশ কিছু গবেষণায় অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।

এই ভেষজ উপাদানটি শরীরে গ্লুকোজের ভারসাম্য বজায় রাখে। এমনকি অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট শুষে শরীরকে সুস্থ রাখে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মেথি রাখলে মারাত্মক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন ভারতীয় আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ডা. দীক্ষা ভাবসার। তিনি এই জাদুকরী ভেষজটির উপকারিতা ব্যাখ্যা করেছেন-

> প্রতিদিন খালি পেটে সারারাত ভিজিয়ে রেখে মেথির পানি খেলে ক্ষুধা ও হজমশক্তি বাড়বে। এ ছাড়া যেকোনো খাবারের সঙ্গে মেথি রাখতে পারেন।

> মেথি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি কোলেস্টেরল এবং রক্তচাপের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

> চুল পড়ার সমস্যায় প্রায় সবাই ভোগেন। জানেন কি, মেথি চুল পড়াও রোধ করে।

> মেথি ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। রক্ত পরিষ্কার রাখে।

> কোষ্ঠকাঠিন্য, শরীর ফুলে যাওয়া, মাংসপেশির ব্যথা, হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যায়ও নিয়মিত মেথি খেলে উপশম মিলবে।

>এমনকি কাশি, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, বুকে কফ জমে এবং ঠান্ডাজনিত অন্যান্য সমস্যা মেথির পুষ্টিগুণে নিরাময় করে।

মেথি বীজ কিভাবে ব্যবহার করবেন?

১. ১-২ টেবিল চামচ মেথি দানা সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানি পান করতে পারেন। আপনি চাইলে পানি ফুটিয়ে চা বানিয়ে পান করতে পারেন।

২. মেথি গুঁড়ো দিনে দুবার খাবার আগে বা রাতে গরম দুধ বা জলের সাথে পান করুন।

৩. এই বীজগুলিকে থেঁতো করে বা দই বা অ্যালোভেরা জেল বা জলের সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে এবং চুলে ব্যবহার করলে খুশকি, চুল পড়া এবং শুষ্ক চুলের সমস্যা দূর হয়।

৪. গোলাপ জল দিয়ে পেস্টও বানাতে পারেন। এটি ব্যবহারে চোখের নিচের কালো দাগ, ব্রণ, ব্রণের দাগ এবং বলিরেখা সেরে যাবে।

মেথিকে মসলা, খাবার বলা যেতে পারে। এটি শাক হিসেবেও জনপ্রিয়। এটি যুগ যুগ ধরে কবিরাজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মেথি বীজে শরীরের জন্য অনেক উপকারী গুণ রয়েছে। আসুন জেনে নেই এর কিছু আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

মসলা, খাবার, খাবার মেথি তিনটিই বলা যেতে পারে। সবজি হিসেবে এর পাতা গ্রামবাসীদের প্রিয় খাবার। মেথি বীজ যুগ যুগ ধরে ঐতিহ্যগত এবং লোক ওষুধে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি মসলা অর্থাৎ পাঁচ ফোঁড়ার উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এর বীজে রয়েছে বিভিন্ন উপকারী উপাদান যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। আসুন জেনে নিই মেথির আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

মেথির বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা

মেথি প্রোটিন, ভিটামিন-সি, পটাসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ইত্যাদির একটি অনন্য উৎস। এর ১০০ গ্রাম পাতা ৫০ ক্যালরি শক্তি, ১.৫ গ্রাম (৭%) স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ৬৭ মিলিগ্রাম (২%) প্রদান করে। ) সোডিয়াম, ৭৭০ মিলিগ্রাম (২২%) পটাসিয়াম, ৫৮ গ্রাম (১৯%) কার্বোহাইড্রেট এবং ২৩ গ্রাম (৪৬%) প্রোটিন পাওয়া যায় যা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। মেথি নিয়মিত সেবনের বিভিন্ন উপকারিতা নিচে বর্ণনা করা হলো-

১. শরীরে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল কমাতে

মেথিতে স্টেরয়েডাল স্যাপোনিন নামক উপাদান রয়েছে যা শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে গ্যালাক্টোম্যানান নামে আরেকটি উপাদান পাওয়া গেছে, যা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া এতে উপস্থিত পটাশিয়াম রক্তে লবণের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে, ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি পান করলে হঠাৎ করেই স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের মাত্রা কমানো সম্ভব।

২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে

অল্প বয়সে যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি তারা নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি পান করতে পারেন। এটি তাদের শরীরে গ্যালাক্টোম্যানানের পরিমাণ বাড়ায় এবং শরীরে চিনির শোষণ কমায়। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি কমায়। এছাড়া মেথিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় যাতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় না।

৩. হজমশক্তি উন্নত করে

সহজ উপায়ে শরীরে হজম শক্তি বাড়াতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে মেথির বীজ। মেথিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা মলত্যাগের উন্নতি করে হজমে সাহায্য করে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে নিয়মিত সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করতে পারেন।

৪. শরীরের ওজন কমাতে

প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। কেউ যদি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পানিতে ভিজিয়ে মেথি বীজ খাওয়ার অভ্যাস করে তাহলে তার শরীরে ফাইবারের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। এটি একদিকে তার ক্ষুধা হ্রাস করে এবং তার অতিরিক্ত খাবার গ্রহণকে রোধ করে। এতে শরীরের ওজন ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

৫. জ্বরের প্রকোপ কমাতে এবং সর্দি-কাশি নিরাময় করতে

আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে প্রায়ই জ্বর হয়। এই অবস্থায় এক গ্লাস মেথি বীজের জল পান করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। মেথিতে বেশ কিছু উপকারী উপাদান রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দ্রুত জ্বরের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া সর্দি-কাশির ঘরোয়া উপায় হিসেবে এর কোনো বিকল্প নেই।

৬. চুল পড়া রোধ করতে

বহুদিন ধরেই চুল পড়া রোধে মেথি ব্যবহার হয়ে আসছে। অস্বাস্থ্যকর চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত খাওয়ার পাশাপাশি বেটে মাথায় লাগাতে পারেন। এ কারণে নারকেল তেলে মেথির পেস্ট সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে চুলে লাগিয়ে ঘণ্টাখানেক পর গোসল করলে অনেক উপকার পাওয়া সম্ভব।

৭. ত্বক উজ্জ্বল রাখতে

সৌন্দর্যেও মেথির ভূমিকা অপরিসীম। মুখের বলিরেখার জন্য দায়ী বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে মেথি ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়া চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতেও মেথি ভূমিকা রাখে।

৮. খুশকি দূর করতে

অনেকেরই প্রচুর খুশকি হয় যা শুষ্ক ও মরা মাথার ত্বকের কারণে হয়। খুশকির সমস্যা দূর করতে মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পেস্ট তৈরি করতে হবে তবে চাইলে এর সঙ্গে দই মিশিয়েও নিতে পারেন। এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগান এবং ত্রিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে খুশকি দ্রুত দূর হবে।

৯. মহিলাদের মাসিক এবং প্রসব সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করা

মেথিতে রয়েছে সাইটো-ইস্ট্রোজেন নামক উপাদান যা মহিলাদের শরীরে প্রোল্যাকটিন নামক হরমোনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। নারীদেহ গঠনে সাহায্য করা ছাড়াও মাসিকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এই হরমোন খুবই কার্যকরী। এছাড়া জরায়ুর সংকোচন ও প্রসারণের ব্যথা কমাতে এর অবদান বিশেষজ্ঞরা প্রমাণ করেছেন। যাইহোক, অতিরিক্ত সেবন গর্ভপাত বা অকাল জন্ম হতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়েদের অবশ্যই আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপর খেতে হবে।

১০. ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে

রক্তে বিষাক্ত উপাদানের মাত্রা বেড়ে গেলে ক্যান্সার কোষ তৈরির ঝুঁকিও বেড়ে যায়। আর এই ক্যান্সারকে দূরে রাখতে মেথি বীজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এর অ্যান্টি-ক্যান্সার বৈশিষ্ট্য রক্ত থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই শরীরে ক্যান্সার কোষের জন্ম রোধ করতে মেথিশাক বা এর বীজ নিয়মিত খেতে হবে।

গত কয়েক দশক ধরে দেশে এবং বিদেশে বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে মেথি বীজে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন, উপকারী চর্বি, ভাল কোলেস্টেরল, খাদ্যতালিকাগত ফাইবার এবং অন্যান্য বেশ কিছু খনিজ এবং ট্রেস উপাদান রয়েছে। এই উপাদানগুলো শরীরের নানাভাবে উপকার করে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত মেথি ব্যবহার করতে হবে।

মেথি একটি সুস্বাদু মসলা। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা কমানোর আশ্চর্য ক্ষমতা এবং যৌবন ধরে রাখার আশ্চর্য ক্ষমতা রয়েছে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মেথি খেলে দূষিত পরিবেশ ও ভেজাল খাবারের রাজ্যে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে ৩৫.৫ ক্যালরি, ৬.৪ গ্রাম প্রোটিন, ০.৭ গ্রাম চর্বি, ২.৭ গ্রাম ফাইবার এবং ৩.৭ মিলিগ্রাম আয়রন। এছাড়াও রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি৬ এর মতো পুষ্টি উপাদান, যা বিভিন্নভাবে শরীর গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন কোন না কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যার সমাধানের জন্য প্রতিনিয়ত মরিয়া হয়ে থাকতে হয়। কিন্তু সেসব সমস্যার সমাধানও আমাদের নাগালের মধ্যে। আমরা সমস্যার সহজ সমাধান খুঁজে পাই না কারণ আমরা তা জানি না। যদি রক্তে সুগার বেড়ে যায়, তার মানে ডায়াবেটিসের জন্য মিষ্টি খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে, দিন দিন পুরনো হয়ে যাচ্ছে। তাহলে একটি ভালো সমাধান হল প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক গ্লাস মেথি জল। এটি খেলে শরীরে শক্তি ফিরে আসবে। হার্টও ভালো থাকবে।

রক্তে শর্করা কমাতে মেথি কীভাবে ব্যবহার করবেন? মেথি খাওয়ার আগে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ২.৫-১৫ গ্রাম মেথি দিনে দুবার খেতে হবে। তেতো মেথি পছন্দ না হলে এর পরিপূরক গ্রহণ করা যেতে পারে। মেথি ক্যাপসুল আকারে পাওয়া যায়। এটা খাওয়া যেতে পারে। খাবারের সাথে মেথি মেশাতে হবে। মেথি চা খাওয়া যেতে পারে। কুসুম গরম পানিতে মেথি মিশিয়ে ভালো করে খাওয়া যায়। তবে শুধু মেথিই যথেষ্ট নয়। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

শুধু ডায়াবেটিস নয়। মেথি ভেষজ। এর রসে স্যাপোনিন এবং ডায়োসজেনিন নামক যৌগ থাকে। মানবদেহে হরমোনের পরিমাণ বাড়ায়। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে মেথির রস খেলে পুরুষের যৌন কর্মক্ষমতা উন্নত হয়। মেথি প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি এবং নিয়াসিন সমৃদ্ধ। ত্বককে সতেজ, টানটান রাখে, বার্ধক্য দূর করে এবং তারুণ্যকে দীর্ঘায়িত করে। ভেজা পরিষ্কার কাপড়ে মেথি গুঁড়া করে ফোঁড়া, পোড়া এবং বিভিন্ন চর্মরোগে ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। মুখের ব্রণ, কালো দাগ, ফুসকুড়ি চলে যায়। মেথি খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে ওজন কমে। লেবু ও মধুর সাথে মেথি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে গলা ব্যথা ও কাশি কমে যায়। শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। চুলে মেথির বীজ লাগালে চুল পড়া কমে এবং চুল ঘন হয়। খুশকি কমে, চুল আরও চকচকে হয়। তবে মেথি ভিজিয়ে গুঁজে রাখলে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। রোদে শুকানোর পর কুড়কুড়ে হয়ে যাবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এর বীজ চিবিয়ে খান বা এক গ্লাস পানির সাথে এর বীজ মিশিয়ে খান। মেথি ৬ মাসের বেশি খাওয়া উচিত নয়। কারণ, খুব বেশি মেথি খেলে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। ডায়রিয়া, গ্যাস বা পেট খারাপ। গর্ভবতী মহিলা এবং শিশুদের মেথি খাওয়া উচিত নয়।

পরবর্তী পোস্ট পূর্ববর্তী পোস্ট
মন্তব্য নেই
মন্তব্য যোগ করুন
comment url